আমদানি নয়, ই-বর্জ্যকে অর্থনৈতিক সম্পদে রূপান্তর করতে চায় সরকার

বিদেশ থেকে সরকার আর কোনো ফেলে দেওয়া ইলেকট্রনিক পণ্য বা ই-বর্জ্য আমদানি করতে চায় না। লোকাল ই-বর্জ্য সংগ্রহ করে সেখান থেকে রফতানি করার মতো নতুন পণ্য উৎপাদন করা যায় কিনা, সেই চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড.

আমদানি নয়, ই-বর্জ্যকে অর্থনৈতিক সম্পদে রূপান্তর করতে চায় সরকার

বিদেশ থেকে সরকার আর কোনো ফেলে দেওয়া ইলেকট্রনিক পণ্য বা ই-বর্জ্য আমদানি করতে চায় না। লোকাল ই-বর্জ্য সংগ্রহ করে সেখান থেকে রফতানি করার মতো নতুন পণ্য উৎপাদন করা যায় কিনা, সেই চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. সাইমুম পারভেজ।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক ই-বর্জ্য দিবস উপলক্ষ্যে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

সাইমুম পারভেজ বলেন, ই-বর্জ্য দিন দিন বড় সমস্যা হয়ে দেখা দিচ্ছে। আমরা সবাই এর সাথে জড়িত। সবার সাথে থাকা মোবাইল ফোন বা ইলেকট্রিক ডিভাইসে মেটাল রয়েছে।

তিনি বলেন, অটোরিকশার ব্যাটারি ব্যবস্থাপনায় কিছুই নেই। এছাড়া, ইলেকট্রিক ভেহিকল (ইভি) আনার পর যথেষ্ট চার্জিং স্টেশন আছে কিনা, সেদিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে। জাতীয় গ্রিড থেকে যদি চার্জ দিতে হয়, তাহলে আবার চাপ বাড়বে। এসব বিষয়গুলোকে টেকসই ব্যবস্থাপনায় আনতে চায় সরকার।

সাইমুম পারভেজ বলেন, সারাদেশে ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্টে জোন তৈরি করা হবে। সেখান থেকে ই-বর্জ্য আলাদা করা হবে। এ নিয়ে সরকারের বিশদ পরিকল্পনা রয়েছে।

সরকারের সাথে বেসরকারি খাতকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি রিনিউয়েবল এনার্জি ভিত্তিক ইকোনমির দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে সরকার।

/এএম

সূত্র: www.jamuna.tv

জাতীয় বিভাগের সব সংবাদ